ইমতিয়াজ আহম্মেদ
শৌর্য, বীর্য, ধৈর্য, ঐতিহ্য মুসলমানদের বৈশিষ্ট্য।
অর্জন, সফলতা, বীরত্ব মুসলমান জাতির শ্রেষ্ঠত্ব।
হতবল, বিহ্বল, দূর্বলতা বর্তমান মুসলমানদের অন্তরে গাঁথা, তাই নিজেদের অধিকারের কথা বলতে অপারগতা।
প্রপাগান্ডার চাপে নিজেকে চোর চোর ভাবে, বীরত্বের চেহারা হারিয়ে মুখে মলিনতা আসে। কারণ, ইহুদি-খৃষ্টের সংস্কৃতি সাধারণ মুসলমানদের অন্তরে।
নিজেকে বিজ্ঞ বিজ্ঞ ভাবে, বড় বড় পাণ্ডিত্য অর্জন করে, আপন ভাইকে জঙ্গি মনে করে প্রপাগান্ডার চাপে। জঙ্গিবাদ ইহুদি- খৃষ্টানরাই ঘটিয়ে থাকে। তারপরও তাদেরকে বড় দাদা ভাবে। এতসব ঘটে ঈমানী দূর্বলতাতে।
ঈমানের দাবি কি? মুসলমান কি তা জানে?
যদি প্রশ্ন করি সাধারণ মুসলমানকে অজ্ঞাতার প্রমাণই মিলবে। বিদেশি ডিগ্রীকে এতটাই সম্মান করে সুদ আর ঘুষকে সাধারণ মনে করে। এসব মুসলমানদের ঈমান ঠিক থাকবে কি করে?
ঈমানের দাবিতে বলিয়ান হতে হলে আল্লাহর রাসূল (সাঃ) এর সাহাবাদের অনুসরণ করতে হবে, যাদের নিকট আল্লাহর হুকুম শ্রেষ্ঠ হয়ে থাকে। দুনিয়ার রাজত্ব ভোগ-বিলাস সবই পায়ের নিচে থাকে।
এখন মিলিয়ে দেখি আমি ঈমানের কোন স্তরে আছি। কথায় কথায় আল্লাহর কাছে অভিযোগ রাখি, মুসলমানদের দুর্দশা লাগবে শত হাজার দোয়া করি। আল্লাহ কি আমার কথা শুনবে না?
এখন প্রশ্ন রাখি আমরা কার দাসত্ব করি, আল্লাহর? নাকি ইহুদি খ্রিস্টানদের?
আমার ঘর তল্লাশি করে দেখি নবীজি (সাঃ) সুন্নত কতটুকু অনুসরণ করি? নাকি, ইহুদি খ্রিস্টানদের আসবাবের পুজো করি।
যদি সুন্নতের অনুসরণ করতে পারি, তবে হতে পারি শৌর্য, বীর্য, ধৈর্যে, ঐতিহ্যের মুসলমান আমি। তখনই হব আমরা অর্জন, সফলতা, বীরত্বে শ্রেষ্ঠ মুসলমান জাতি ।
Sharing is caring!